"https://www.facebook.com/sonatandhormo>

Saturday, January 24, 2015

|| শ্রী শিব সুব্রামনিয়া মন্দির ||Sri Shiva Temple subramaniya (श्री शिव मंदिर subramaniya "फिजी Nadite ")

Sri Shiva Temple subramaniya

Shri Shiva temple subramaniya "Fiji
Nadite "is located. This
Temple south of Nadir
Located at the end of the road and in the region



All the big temples.

শ্রী শিব সুব্রামনিয়া মন্দিরটি "ফিজির
নাদিতে" অবস্থিত। এই
মন্দিরটি দক্ষিনে নাদির প্রধান
সড়কের শেষে অবস্থিত এবং এ অঞ্চলের

সব থেকে বড় মন্দির।

"ইতিহাস"

এই মন্দিরটি খুবই পুরাতন।
মন্দিরটি ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়
এবং ১৯৭৬ সালে মন্দিরটির সুবর্ণ
জয়ন্তী উদযাপন করা হয়।

বর্তমানে যে মন্দিরটি দেখা যায়
সেটি ১৯৭৬ সালে গোল্ডেন
জুবলি উপলক্ষে নির্মাণের
পরিকল্পনা হয়। মন্দিরে ভক্ত
সংখ্যা বাড়তে থাকায় মন্দিরের
পরিসর বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
এজন্য ১৯৮৩ সালে ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হয়।
১৯৮৪ সালে ভূমি পূজার মাধ্যমে মন্দিরের
নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
মন্দিরটি বৈদিক বাস্তু শাস্ত্র
অনুসারে নির্মিত। ১৯৯৪
সালে মন্দিরের নির্মাণ শেষ হয়।
বর্তমানে ফিজিতে ৪৯% হিন্দু বসবাস করে।


श्री शिव मंदिर subramaniya "फिजी
Nadite "। यह स्थित है
नादिर के मंदिर दक्षिण
सड़क के अंत में और इस क्षेत्र में स्थित है


सभी बड़े मंदिरों।

|| ফ্লোরিডার হিন্দু মন্দির, টাম্পা || Hindu Temple of Florida (फ्लोरिडा के हिंदू मंदिर

Hindu Temple of Florida
The temple is located in Tampa, Florida.

Cultural Center in Tampa, Florida.
Incorporating some of the devotees
The temple was established.
Here is the prayer, adding education and
Various festivals are celebrated nationwide.

ফ্লোরিডার হিন্দু মন্দির যুক্তরাষ্ট্রের
ফ্লোরিডার টাম্পা নামক স্থানে মন্দিরটি অবস্থিত।

টাম্পা ফ্লোরিডার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
সেখানকার কিছু ভক্তবৃন্দ একত্রিত
হয়ে এ মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেছেন।
এখানে প্রার্থনা,যোগ শিক্ষা ও
বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠান পালিত হয়।

मंदिर ताम्पा, फ्लोरिडा में स्थित है।

ताम्पा, फ्लोरिडा में सांस्कृतिक केंद्र।
भक्तों से कुछ को शामिल
मंदिर स्थापित किया गया था।
यहाँ प्रार्थना है, शिक्षा को जोड़ने और

विभिन्न त्योहारों राष्ट्रव्यापी मनाया जाता है।

টালিউড সুপারষ্টার জিৎভগবানের চরণে প্রদিপ দিচ্ছেন ।

টালিউড সুপারষ্টার জিৎভগবানের চরণে প্রদিপ দিচ্ছেন 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ভগবানের আর্শিবাদ নিতে মন্দিরে আসতে ভুলে যাননি মহামন্য প্রধান বিচারপতি সুরিন্দর কুমার সিনহা।
#ছবিটি ঢাকা স্বামীবাগ ইসকন মন্দির থেকে তোলা।

Thursday, January 22, 2015

শ্রীগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কিছু মূল্যবান উক্তি

শ্রীগীতায় ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কিছু মূল্যবান উক্তি

অনন্য চেতাঃ সততম্ যঃ মাম্ স্মরতি নিত্যশঃ ।
তস্য অহম্ সুলভঃ পার্থ নিত্যযুক্তস্য যোগিনঃ ।।১৪
অর্থ-যিনি একগ্র চিত্তে কেবল আমাকেই নিরন্তর স্মরন করেন, আমি সেই নিত্তযুক্ত ভক্ত যোগিদের কাছে সুলভ হই

******************************************************************

আব্রহ্ম ভূবনাত্ লোকাঃ পুনঃ আবর্তিনঃ অর্জুন ।
মাম উপেত্য তু কৌন্তেয় পুনর্জন্ম বিদ্যতে ।।১৬
অর্থ-হে অর্জুন ভূবন থেকে ব্রহ্মলোক পর্য্যন্ত সমস্ত লোকই পুনরাবর্তনশীল কিন্তু হে কৌন্তেয়, আমাকে লাভ করলে তার আর জন্ম হয় না।

******************************************************************

অব্যক্ত অক্ষরঃ ইতি উক্তঃ তম আহুঃ পরমাম্ গতিম্ ।
যম্ প্রাপ্য ন নিবর্তন্তে তদ্ধাম্ পরমম্ মম্ ।।২১
অর্থ-সেই অব্যক্তকে অক্ষর বলে; তাই সমস্ত জীবের পরমা গতি। কেউ যখন সেখানে যায় তখন আর তাকে এই জগতে ফিরে আসতে হয় না। সেইটিই হচ্ছে আমার পরম ধাম।

******************************************************************

শুক্ল কৃষ্ণে গতী হি এতে জগতঃ শাশ্বতে মতে ।
একয়া যাতি অনাবৃত্তিম্ অন্যয়া আবর্ততে পুনঃ ।।২৬
অর্থ-বৈদিক মতে দুইটি মার্গ রয়েছে। একটি শুক্লএবং অপরটি কৃষ্ণ। শুক্ল মার্গে দেহ ত্যাগ করলে তাকে আর এই জগতে ফিরে আসতে হয় না,কিন্তু কৃষ্ণমার্গে দেহ ত্যাগ করলে,এই জড় জগতে আবার ফিরে আসতে হয়।

******************************************************************

অন্তবত্ তু ফলম্ তেষাম্ তত্ ভবতী অল্পমেধষাম ।
দেবান দেবযজঃ যান্তি মত্ ভক্তাঃ যান্তি মাম্ অপি ।।২৩
অর্থ-অল্পবুদ্ধি ব্যক্তিদের আরাধনার ফল লব্ধ অস্থাই। দেবতাদের উপসকেরা তাদের আরাধ্য দেবতাদের লোক প্রাপ্ত হন, কিন্তু আমার ভক্তরা আমার পরম ধাম প্রাপ্ত হন।

******************************************************************

তেষাম সততযুক্তানাম্‌ ভজতাম্‌ প্রীতিপুর্বকম্‌ ।
দদামি বুদ্ধিযোগম্‌ তম্‌ যেন মাম্‌ উপযান্তি তে ।।১০
অর্থ-যারা নিত্ত ভক্তি যোগ দ্বারা প্রীতিপুর্বক আমার ভজনা করেন, আমি তাদের শুদ্ধ জ্ঞান জনিত বুদ্ধি দান করি, যার দ্বারা তারা আমার কাছে ফিরে আসতে পারে।

Wednesday, January 21, 2015

http://www.nayadigantajobs.com/article/3208/Feni  ate ki mene nea jay. amder barighor poraifele ,koto kisu kore tate to kew bichar koren na  hy re vogobanhttp://www.nayadigantajobs.com/article/3208/Feni

হায়রে দেশ কেউ কি নাই হিন্ধুদের পাশে

Tuesday, January 20, 2015

এদেশে যখনই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী উঠে তখনই একদল স্যুটেড-বুটেড, ক্লিন সেভেড বুদ্ধিজীবী এর
বিরোধীতা করে যুক্তি দেখান- ইউরোপ
আমেরিকাতেও খ্রিস্টান মৌলবাদী দল আছে,
তাদের যদি রাজনীতি করার অধিকার
থাকে তাহলে এই দেশে ধর্মভিত্তিক
রাজনীতি করার অধিকার কেন থাকবে না?
এটা যুক্তি নয়, এটা ইতরামী! ইসলাম
বাদে পৃথিবীর অন্য যে কোন ধর্মীয় রাষ্ট্র
কনসেপ্ট সেই ধর্ম দিয়েই বাতিল করে দেয়া যাবে।যীশু রাজনীতি করেননি। খ্রিস্টীয় রাষ্ট্র গঠনের কোন তাগিদ তিনি তার শিষ্যদের দেননি। “হিন্দু রাষ্ট্র” ধারনা নিতান্তই ৪৭ সালের দেশভাগের ক্ষতের মধ্যে থেকে জন্ম
নেয়া একটা আবছায়া যা মূলত পাকিস্তানী জুজুর
ভয়ে, মুসলিম আগ্রাসন ঠেকাতে বার বার
হালে পানি পেয়েছে। আদতে “হিন্দু রাষ্ট্র”
ধারনাটাই ভারতবর্ষে মুসলিম আগমনের
আগে কি কেউ চিন্তা করতে পেরেছিল? “হিন্দু
ধর্ম” বলতে যে ধর্মীয় আইডেন্টি স্থীর
হয়েছে সেটা আসলে আর্যদের আগমনে স্থানীয়দের “অনার্য” হয়ে উঠার মত। কথিত এই “হিন্দু ধর্ম”আসলে একটা বহু ধর্মের সংকলন।এখানে নাস্তিক্য দর্শণ পর্যন্ত আছে! ভারতে “রাম রাজ্য” আওয়াজ
আসলে পাকিস্তানকে চাপে রাখা।
ভারতে বিজেপির সমর্থন বাড়ার কারণ আমার
ধারনা মুসলিম সন্ত্রাসবাদী, পাকিস্তান
ইস্যুতে কথিত “সেক্যুলারদের” উপর
ভরসা করতে না পারার ফল। ভারতের এডুকেটেড,সুশিক্ষিত জনগণ ইসলামী রাষ্ট্রের আদলে কোন “হিন্দু রাষ্ট্রর” সঙ্গে আদৌ পরিচিতই নয়।অশিক্ষিত, পিছিয়ে পড়া জনগণের কাছেও ইসলামী রাষ্ট্রের অনুকরণে কোন রাষ্ট্রীয় ধারনা অচেনা। আসলে ইসলামী রাষ্ট্র ও ইসলামী রাজনীতি একান্তই মুসলিমদের নিজস্ব কনসেপ্ট। আল্লাহ এখানে নিজে বলে দেন রাষ্ট্র গঠনের জন্য। আল্লার নবী এখানে এই রাষ্ট্রের ধরন, প্রকৃতি, সেই রাষ্ট্রে বিধর্মী জনগণের কতটুকু অধিকার সংরক্ষিত থাকবে তাও নির্ধারিত।মডারেট মুসলিমধারীরা খুব গর্ব ও ইসলামী রাষ্ট্র
ব্যবস্থাকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য মদিনা সনদের কথা উল্লেখ করেন। অথচ নুন্যতম
ইসলামী জ্ঞান থাকলে মদিনা সনদকে “পৃথিবীর
প্রথম লিখিত সংবিধান” বলতো না। এমনকি এক শ্রেণীর ইসলামী স্কলারও চরম মিথ্যাচার
করে মদিনা সনদকে সংবিধান
বলে “ইসলামী রাষ্ট্র” বলে যাকে দেখান
সেটা আসলে মদিনায় হযরত মুহাম্মদের গমনের পর
স্থানীয় ইহুদীসহ অন্যান্য জনগোষ্ঠির
সঙ্গে একটা চুক্তি। সেই চুক্তির অন্যতম ছিল
তারা কুরাইশদের সঙ্গে কোন সহযোগিতা করবেন না। এই চুক্তি পরে ভেঙ্গেও যায় মুখের কথায়।চুক্তি আর সংবিধানের পার্থক্যও এরা বুঝে না!প্রকৃত ইসলামী রাষ্ট্র হচ্ছে কুরআন ও হাদিস অনুযায়ী পরিচালিত রাষ্ট্র ব্যবস্থা যেখানে একমাত্র মুসলিমরাই রাষ্ট্র
নায়ক হবেন। সেখানে নানা রকম শর্ত পূরন
করে বিধর্মীরা থাকতে পারে “মুসলিমদের
অধীনে তাদের জিম্মায়”। জিজিয়া করের মত
ভয়ংকর চড়া মূল্যে “সিকউরিটি মানি” প্রদান
করেই ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাস করতে হবে। হযরত ওমরের আমলে ইসলামী রাষ্ট্রে বিধর্মীদের প্রতি যে বিধি বিধান ওমর ঠিক করে দিয়েছিল তাতে হিটলারের ইহুদী নীতিও লজ্জ্বা পাবে! আগ্রহী কেউ চাইলে কমেন্ট ঘরে সেই ভয়ংকর নীতিমালা দেয়া যাবে।
সমস্ত ইউরোপ এখন ইসলামীকরণের
ভয়ে কম্পিত হয়ে আছে। যে ইউরোপ রেঁনাসার
মাধ্যমে একটা বর্বর ধর্মীয় বলয়
থেকে মুক্তি লাভ করেছিল আজ বহিরাগত ইসলাম
সেখানে ফের ধর্মীয় অশান্তি আমদানি করেছে।এই সুযোগে খ্রিস্টান ও
ইহুদী মৌলবাদী রাজনৈতিক শক্তির উত্থান
অতি আসন্ন। ইউরোপের জনগণ হয়ত একসময়
বাধ্য হয়েই এইরকম মৌলবাদী শক্তিতে আস্থা রাখতে শুরু করে দিবে সেক্যুলার দলগুলোর উপর বিরক্ত হয়ে।
এতে যেটা হবে বর্ণবাদী, সাম্প্রদায়িক মনোভাব নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। কিন্তু ইউরোপ কখনোই “খিস্টান রাষ্ট্র” হয়ে উঠবে না সেই অর্থে যে অর্থে আমরা “ইসলামী রাষ্ট্রকে” চিনি। খ্রিস্টান মৌলবাদসহ হিন্দু মৌলবাদ,
ইহুদী মৌলবাদ, বৌদ্ধ মৌলবাদকে মোকাবেলা করা সেই ধর্ম দিয়েই খুব
সোজা। ধর্ম থেকে খুব সহজেই বলে দেয়া যায়-
এসব ধর্মের কোথাও বলা নেই। কিন্তু মডারেট
মুসলিমরা সারাজীবন মাথাকুটেও প্রমাণ
করতে পারবে না “ইসলামী রাষ্ট”
ব্যবস্থা বলে দুনিয়াতে কিছু নেই। এটা কুরআন ও
হাদিস দ্বারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।…
মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয়া বাংলাদেশ
যদি “ইসলামী রাষ্ট্র” কায়েম হয়
সেটা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশের সঙ্গে পুরোপুরি সাংঘর্ষিক। শুধু “মুসলমানের দেশ” অর্জন করার জন্যই মুক্তিযুদ্ধ হয়নি।আল্লার আইন বাস্তবায়ন করার কোন অঙ্গিকার মুক্তিযুদ্ধে ছিল না। শরীয়া আইনে চলার জন্য পাকিস্তান থেকে পৃথক হয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়নি। বাংলাদেশে যারা (আসিফ নজরুল টাইপ)
ধর্মীয় রাজনীতির পক্ষে কথা বলেন
তারা ইসলামী রাজনীতির কথাই বলেন।
তারা যে এসব জানেন না তা নয়, জেনেও এই
চালাকীটা করেন তাদের মুসলিম বিশ্বাসের
জায়গা থেকে- যা তাদের শিক্ষাদীক্ষা, পাশ্চত্য
রাষ্ট্র চিন্তা সত্ত্বেও স্ববিরোধীতা করে যায়
নিজের সঙ্গে। জামাতের রাজনীতির পক্ষেও
কথা বলাও এই মুসলিম দূর্বলতা থেকেই।
জামাতের অপরাধী রাজাকার, আল বদরদের বাদ
দিয়ে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের
জামাতে ইসলামী রাজনীতি করতে বাধা কোথায়-এরকম যুক্তি যারা দেন তারা নি্শ্চিত করেই মতলববাজ। জামাত একটা আর্দশের উপর রাজনীতি করে। সেই আর্দশ
তাদেরকে দিয়ে গণহত্যা, লিস্ট
করে বাড়ি বাড়ি থেকে ধরে বুদ্ধিজীবীদের
হত্যা করতে প্ররোচিত করেছিল। হিটলারের
যে আদর্শ, সেই আদর্শের মানুষ যারা দ্বিতীয়
বিশ্বযুদ্ধের সময় জন্ম নেয়নি, ইহুদী গণহত্যার সঙ্গে জড়িত নয়, তাদেরকে কি হিটলারের আদর্শের রাজনীতি করতে দেয়া উচিত? আরো একটা হলোকাস্ট সংঘঠিত করার জন্য?আমাদের সঙ্গে এখন আফগানিস্তান, পাকিস্তান,আফ্রিকার গৃহযুদ্ধে আক্রান্ত দেশগুলোর
মধ্যে কোন তফাত নেই। একটা দেশে রাজনৈতিক বিরোধ থাকতে পারে, অশান্তি থাকতে পারে- তাই বলে বাস ভর্তি মানুষ আগুন
দিয়ে পুড়িয়ে মারা সম্ভব? হ্যা, সম্ভব! জামাতের রাজনীতির পক্ষে এটা খুবই সম্ভব। কারণ জামাত আর সব ইসলামী রাজনীতির মতই “জিহাদের সময় সব বৈধ” নীতিতে বিশ্বাসী।এদেশে যে ধর্মীয় আবহের রাজনীতির চর্চা শুরু হয়েছিল, “বহুদলীয় গণতন্ত্রের” উর্দির নিচে যে ইসলামী রাজনীতির শুরু হয়েছিল,বাংলাদেশ আজ তার ফল ভোগ করছে।বিএনপি সেই রাজনীতির সঙ্গে মেলিটারির একনায়কতন্ত্রের মিলনের ফসল। এ জন্যই জামাতের সঙ্গে মিলে মাসব্যাপী মানুষ পোড়ানোর মচ্ছবে বিএনপির সহাবস্থান খুবই স্বাভাবিক। এর থেকে বেরিয়ে আসার অনেক করণীয়র মধ্যে একদম প্রথম ও অলঙ্ঘণীয় কারণীয়ই হলো জামাত ও
ইসলামী রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করা। বিএনপির মত পরগাছা তিন মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে না পারলেই দল ভেঙ্গে বিলিন হয়ে যাবে। কিন্তু
দেশে ইসলামী রাজনীতি কি আওয়ামী লীগ
থেকে রূপান্তরিত “মুমিন লীগ” করতে চাইবে?
বাস্তবতা হচ্ছে এটা করলে তাদেরকেই করতে হবে।বিকল্প কেউ নেইও…