সদ্য প্রাপ্ত খবর-
পিরোজপুর ইসকন মন্দিরে বিগত রাতে কিছু লোকের দ্বারা মন্দিরের বিগ্রহ সহ বিভিন্ন ব্যবহার সামগ্রী সহ প্রনামী টাকা ডাকাতি .ক্ষয়ক্ষতির পরিমান-
1.রাধামাধব বিগ্রহ 2 সেট
2.গোপাল বিগ্রহ 1টি
3.ফিল্টার 1টি
4.ট্রান্ক
5.আরতি সামগ্রী
6.প্রনামী টাকা 2000+
ঘটনাটি স্থানীয় জেলা থানায় জানানো হয়েছে. থানা থেকে ঘটনা পরিদর্শনে এসেছে .এই পর্যন্ত জানা গেছে বর্তমানে
https://www.facebook.com/sonatandhormo
Tuesday, January 20, 2015
ইসলাম কি ভিন্ন ধর্ম?
ইসলাম কি ভিন্ন ধর্ম?
ইসলাম আর্য/সনাতন ধর্মের একটি সংস্কার রুপ।
ইতিহাস কি বলে দেখুন:
সমগ্র আরব জুড়ে বৈদিক ধর্মের প্লাবন চলছিল তখন। ত্রিসন্ধ্যা উপাসনা, আর বার মাসে তের পার্বণ তখন আরবকে মুখরিত করে রেখেছিল। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরবরা পরাজিত হলে পাণ্ডবরা তাদের উত্তরের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যায়। কুরুরা নরদান হাইওয়ে হয়ে মরুভূমিতে প্রবেশ করে। যেহেতু কৃষ্ণসাগর পর্যন্ত শ্রীকৃষ্ণের শাসনাধীন ছিল, সেকারনে কৌরবদেরকে মরুভূমিতে অবস্থান করা ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না। নিয়মিত পুজা পার্বণের জন্য তারা সমগ্র আরব জুড়ে নানা দেব দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করলেও পিতৃ শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের স্থান গয়াধাম পাণ্ডবদের নিয়ন্ত্রনে থাকায় তারা আরবভুমিতে গয়াধামের আদলে তীর্থস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সে উদ্যেশ্যে জমজম কুপের নিকট কাবার স্থানটি বেছে নেয় তারা। ভারতের গঙ্গা হিমালয়ের চুড়া হিমাদ্রি শৃঙ্গ থেকে উৎসারিত হওয়ার কারনে এই জলধারাটি আকাশগঙ্গা নামে পরিচিত। আরবের এই জলধারাটি যেহেতু মাটির নিচ থেকে উৎসারিত সেকারনে জলধারাটির নাম পাতাল গঙ্গা। হিব্রুতে “গ” এর স্থলে “জ” হয়ে “গঙ্গা” হয়ে গেল “জঞ্জা” জঞ্জা হতে জমজম।জমজম কুপের ধারেই প্রতিষ্ঠিত হয় শিব মন্দির। শিব এখানে গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের স্মরনে মন্দিরটির নাম হয় সোমনাথ; আরবিতে বলে মানাথ। সমগ্র আরব থেকে পিতার উদ্দ্যেশ্যে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান ও সোমনাথ দর্শন করার জন্য আরববাসীরা নিয়মিত যাতায়াত করতেন এই তীর্থকেন্দ্রে। পিতার উদ্দ্যেশ্যে শ্রাদ্ধ্ অনুষ্ঠান তাই এর নাম “ইদ-উল-ফিতর”।“ইদ” সংস্কৃত শব্দ; যার অর্থ আনন্দ এবং “ফিতর” শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “পিতা’র” থেকে। দুটি শব্দ একত্র করতে আরবিতে উল শব্দ ব্যবহার হয়। সেখানে গয়াধামের আদলে শ্রী হরির (বিষ্ণুর) পদচিহ্ন ও স্থাপিত হয়; যা এখনও আছে। যেকারনে উক্ত মন্দিরকে হরিওম ও বলা হত; যা এখন বিকৃত হয়ে হারাম শরিফ বলে অভিহিত করে। চালু হয় গয়াধামের রীতিতে বিষ্ণু পদ চিহ্নকে কেন্দ্র করে সপ্তপদি বা সাতপাক দেওয়ার রীতি। গঙ্গার আদলে জমজমের জলধারাকে পবিত্র ঘোষণা করা হয়। চালু হয় শিব রাত্রিব্রত। আমরা মুসলিমরা এখনতা তা পালন করি শবেবরাত হিসাবে। ছাগল বলির ইদকে বলে বক্রির ইদ। শুকর যেহেতু বরাহ অবতার এবং কচ্ছপ যেহেতু কূর্ম অবতার সেকারনে শুকর ও কচ্ছপ ভক্কন নিষিদ্ধ থাকে। রীতি অনুযায়ী কুরুবংশই মন্দিরটি দেখাশুনা উন্নয়ন, পরিচালনা ও পূজা পার্বণের দায়িত্ত গ্রহণ করে। কুরুদের এই শাখাটিই পবিত্র ও উচ্চ মর্যাদাশীল হিসেবে গণ্য হয়। তাইএই বংশের নাম হয় “কোরাইশ” (“কুরু+ঈশ=কুরুদের ঈশ্বর) বংশ। হযরত মুহম্মদ (সঃ) এই বংশেই জন্ম গ্রহণ করেন।
ইসলাম আর্য/সনাতন ধর্মের একটি সংস্কার রুপ।
ইতিহাস কি বলে দেখুন:
সমগ্র আরব জুড়ে বৈদিক ধর্মের প্লাবন চলছিল তখন। ত্রিসন্ধ্যা উপাসনা, আর বার মাসে তের পার্বণ তখন আরবকে মুখরিত করে রেখেছিল। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৌরবরা পরাজিত হলে পাণ্ডবরা তাদের উত্তরের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যায়। কুরুরা নরদান হাইওয়ে হয়ে মরুভূমিতে প্রবেশ করে। যেহেতু কৃষ্ণসাগর পর্যন্ত শ্রীকৃষ্ণের শাসনাধীন ছিল, সেকারনে কৌরবদেরকে মরুভূমিতে অবস্থান করা ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না। নিয়মিত পুজা পার্বণের জন্য তারা সমগ্র আরব জুড়ে নানা দেব দেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠা করলেও পিতৃ শ্রাদ্ধ ও পিণ্ডদানের স্থান গয়াধাম পাণ্ডবদের নিয়ন্ত্রনে থাকায় তারা আরবভুমিতে গয়াধামের আদলে তীর্থস্থান প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। সে উদ্যেশ্যে জমজম কুপের নিকট কাবার স্থানটি বেছে নেয় তারা। ভারতের গঙ্গা হিমালয়ের চুড়া হিমাদ্রি শৃঙ্গ থেকে উৎসারিত হওয়ার কারনে এই জলধারাটি আকাশগঙ্গা নামে পরিচিত। আরবের এই জলধারাটি যেহেতু মাটির নিচ থেকে উৎসারিত সেকারনে জলধারাটির নাম পাতাল গঙ্গা। হিব্রুতে “গ” এর স্থলে “জ” হয়ে “গঙ্গা” হয়ে গেল “জঞ্জা” জঞ্জা হতে জমজম।জমজম কুপের ধারেই প্রতিষ্ঠিত হয় শিব মন্দির। শিব এখানে গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরের স্মরনে মন্দিরটির নাম হয় সোমনাথ; আরবিতে বলে মানাথ। সমগ্র আরব থেকে পিতার উদ্দ্যেশ্যে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান ও সোমনাথ দর্শন করার জন্য আরববাসীরা নিয়মিত যাতায়াত করতেন এই তীর্থকেন্দ্রে। পিতার উদ্দ্যেশ্যে শ্রাদ্ধ্ অনুষ্ঠান তাই এর নাম “ইদ-উল-ফিতর”।“ইদ” সংস্কৃত শব্দ; যার অর্থ আনন্দ এবং “ফিতর” শব্দটি এসেছে সংস্কৃত “পিতা’র” থেকে। দুটি শব্দ একত্র করতে আরবিতে উল শব্দ ব্যবহার হয়। সেখানে গয়াধামের আদলে শ্রী হরির (বিষ্ণুর) পদচিহ্ন ও স্থাপিত হয়; যা এখনও আছে। যেকারনে উক্ত মন্দিরকে হরিওম ও বলা হত; যা এখন বিকৃত হয়ে হারাম শরিফ বলে অভিহিত করে। চালু হয় গয়াধামের রীতিতে বিষ্ণু পদ চিহ্নকে কেন্দ্র করে সপ্তপদি বা সাতপাক দেওয়ার রীতি। গঙ্গার আদলে জমজমের জলধারাকে পবিত্র ঘোষণা করা হয়। চালু হয় শিব রাত্রিব্রত। আমরা মুসলিমরা এখনতা তা পালন করি শবেবরাত হিসাবে। ছাগল বলির ইদকে বলে বক্রির ইদ। শুকর যেহেতু বরাহ অবতার এবং কচ্ছপ যেহেতু কূর্ম অবতার সেকারনে শুকর ও কচ্ছপ ভক্কন নিষিদ্ধ থাকে। রীতি অনুযায়ী কুরুবংশই মন্দিরটি দেখাশুনা উন্নয়ন, পরিচালনা ও পূজা পার্বণের দায়িত্ত গ্রহণ করে। কুরুদের এই শাখাটিই পবিত্র ও উচ্চ মর্যাদাশীল হিসেবে গণ্য হয়। তাইএই বংশের নাম হয় “কোরাইশ” (“কুরু+ঈশ=কুরুদের ঈশ্বর) বংশ। হযরত মুহম্মদ (সঃ) এই বংশেই জন্ম গ্রহণ করেন।
জয় সনাতন
• বিজ্ঞান যখন বলে, পৃথিবীর বুকে প্রথম প্রাণ সৃষ্টি হয়েছিল জলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
কিন্তু হিন্দু ধর্ম যখন বলে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্ম দেবের আবির্ভাব হয়েছিল জলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন বলে, পৃথিবীতে প্রাণী জগতের বিবর্তন হয় জলজ প্রাণী থেকে > উভচর থেকে > স্থলজ থেকে >চতুষ্পদ তৃণভোজি থেকে > মাংশাসি থেকে >দ্বীপদি প্রাণীতে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন মত্স > কূর্মা > বরাহ > নৃসিংহের কথা বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন দেখায়, মানুষের মস্তিষ্কে দুটি চোখের মাঝখানে পিনিয়াল নামক এক গ্রন্থি আছে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন দেখায়, শিবের কপালে তৃতীয় নয়ন আছে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন, অর্গ্যান ট্রান্সপ্ল্যান্ট, সার্জারির কথা বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন গণেশের কাটা মাথা জোড়া দেওয়ার কাহিনী বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন অ্যাটোমিক ওয়েপন, নিউক্লিয়ার ওয়েপন নামক ভয়ঙ্কর অস্ত্রের কথা বলে ― তখনতা আপনি বিশ্বাস করেন ।
কিন্তু হিন্দু ধর্ম যখন আপনাকে ব্রহ্মাস্ত্র, পশুপাতাস্ত্রের মত ধ্বংসাত্বক অস্ত্রের কথা বলে ―তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
হায়রে সমাজ, মানুষ সেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন আদিম যুগেই পড়ে রয়েছে, এদের জীবনে এখনও সনাতন নামক বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি । এদের প্রত্যেককেই হিন্দুধর্মের ঘরে ফেরাতে হবে ।
জয় সনাতন ।
কিন্তু হিন্দু ধর্ম যখন বলে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্ম দেবের আবির্ভাব হয়েছিল জলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন বলে, পৃথিবীতে প্রাণী জগতের বিবর্তন হয় জলজ প্রাণী থেকে > উভচর থেকে > স্থলজ থেকে >চতুষ্পদ তৃণভোজি থেকে > মাংশাসি থেকে >দ্বীপদি প্রাণীতে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন মত্স > কূর্মা > বরাহ > নৃসিংহের কথা বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন দেখায়, মানুষের মস্তিষ্কে দুটি চোখের মাঝখানে পিনিয়াল নামক এক গ্রন্থি আছে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন দেখায়, শিবের কপালে তৃতীয় নয়ন আছে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন, অর্গ্যান ট্রান্সপ্ল্যান্ট, সার্জারির কথা বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন ।
অথচ হিন্দু ধর্ম যখন গণেশের কাটা মাথা জোড়া দেওয়ার কাহিনী বলে ― তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
• বিজ্ঞান যখন অ্যাটোমিক ওয়েপন, নিউক্লিয়ার ওয়েপন নামক ভয়ঙ্কর অস্ত্রের কথা বলে ― তখনতা আপনি বিশ্বাস করেন ।
কিন্তু হিন্দু ধর্ম যখন আপনাকে ব্রহ্মাস্ত্র, পশুপাতাস্ত্রের মত ধ্বংসাত্বক অস্ত্রের কথা বলে ―তখন তা আপনি বিশ্বাস করেন না ।
হায়রে সমাজ, মানুষ সেই কুসংস্কারাচ্ছন্ন আদিম যুগেই পড়ে রয়েছে, এদের জীবনে এখনও সনাতন নামক বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি । এদের প্রত্যেককেই হিন্দুধর্মের ঘরে ফেরাতে হবে ।
জয় সনাতন ।
Friday, January 16, 2015
কৃষ্ণই পরম ঈশ্বর
আমাদের ধর্মে আমরা কিছু জিনিস এমনভাবে মিলিয়ে-মিশিয়ে জগাখিচুড়ী করি যাতে আসল ধর্মের কথা চাপা পরে যায়।
কেউ হয়ত দেব-দেবীদের ভগবানের আসনে বসিয়ে দিচ্ছেন, কেউ তার গুরুদেবকে, কেউবা কোন মহা-মানবকে।
একটা কথা স্পষ্ট যে পরমেশ্বর ভগবান এক ও অদ্বিতীয়, তিনি বারে বারে বিভিন্ন রুপ নিয়ে যখন জগতে আসেন তখন তাকে অবতার বলে।
আর বাকি সবাই ভগবানের সেবক, সে দেব-দেবী হোক আর অন্য যে কোন প্রাণী।
এবার আসুন ভগবান কে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজি।
ব্রহ্মসংহিতায় (সৃষ্টিকার্যে নিয়োজিত) ব্রহ্মা বলেছেন,
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণ, সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ।
অনাদিরঃ আদি গোবিন্দ, সর্বকারনঃকারনাম্।।
অর্থাৎ, কৃষ্ণই পরম ঈশ্বর, যাঁর বিগ্রহ সর্বদা আনন্দদায়ক। তিনি সকল অবতারেরও আদি, এবং সকল কারনের কারন।।
এবার এটা স্পষ্ট যে ভগবান সয়ং কৃষ্ণ। বেদেও সেটাই বর্ণীত আছে সুস্পষ্টভাবে। বেদ সনাতন ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ, যেখানে অধিকাংশ শ্লোক শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে।
অনেক জন্মের সুক্রিতির ফলে ভগবানকে জানা যায় চেনা যায়।
আর এই জন্য অন্ধ বিশ্বাস থেকে নয়, জেনে শুনে ধর্মের দিকে এগোতে হবে।
জানতে হবে, আমি কে? ভগবান কে? কি আমার কর্তব্য? আজকের আমরা জানলাম ভগবান সম্পর্কে, বাকি প্রশ্নের উত্তর আসছে সামনে........
আজ এ পর্যন্ত, ভালো থাকবেন সবাই। হরে কৃষ্ণ।
কেউ হয়ত দেব-দেবীদের ভগবানের আসনে বসিয়ে দিচ্ছেন, কেউ তার গুরুদেবকে, কেউবা কোন মহা-মানবকে।
একটা কথা স্পষ্ট যে পরমেশ্বর ভগবান এক ও অদ্বিতীয়, তিনি বারে বারে বিভিন্ন রুপ নিয়ে যখন জগতে আসেন তখন তাকে অবতার বলে।
আর বাকি সবাই ভগবানের সেবক, সে দেব-দেবী হোক আর অন্য যে কোন প্রাণী।
এবার আসুন ভগবান কে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজি।
ব্রহ্মসংহিতায় (সৃষ্টিকার্যে নিয়োজিত) ব্রহ্মা বলেছেন,
ঈশ্বরঃ পরমঃ কৃষ্ণ, সচ্চিদানন্দ বিগ্রহ।
অনাদিরঃ আদি গোবিন্দ, সর্বকারনঃকারনাম্।।
অর্থাৎ, কৃষ্ণই পরম ঈশ্বর, যাঁর বিগ্রহ সর্বদা আনন্দদায়ক। তিনি সকল অবতারেরও আদি, এবং সকল কারনের কারন।।
এবার এটা স্পষ্ট যে ভগবান সয়ং কৃষ্ণ। বেদেও সেটাই বর্ণীত আছে সুস্পষ্টভাবে। বেদ সনাতন ধর্মের মূল ধর্মগ্রন্থ, যেখানে অধিকাংশ শ্লোক শ্রীকৃষ্ণকে নিয়ে।
অনেক জন্মের সুক্রিতির ফলে ভগবানকে জানা যায় চেনা যায়।
আর এই জন্য অন্ধ বিশ্বাস থেকে নয়, জেনে শুনে ধর্মের দিকে এগোতে হবে।
জানতে হবে, আমি কে? ভগবান কে? কি আমার কর্তব্য? আজকের আমরা জানলাম ভগবান সম্পর্কে, বাকি প্রশ্নের উত্তর আসছে সামনে........
আজ এ পর্যন্ত, ভালো থাকবেন সবাই। হরে কৃষ্ণ।
Thursday, January 15, 2015
শ্রী শ্রী পূর্ণ ব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর
শ্রী শ্রী পূর্ণ ব্রহ্ম পূর্ণাবতার শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর, শ্রী শ্রী গুরুচাঁদ ঠাকুর এবং কয়েকজন সনামধন্য হরি ভক্তের সংক্ষিপ্ত পরিচয়ঃ-
০৫। হীরামন বালা (গোসাই)ঃ
রাউত খামার গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন হীরামন বালা (গোসাই)। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের মধ্যে রামরূপ দর্শণ করেছিলেন ঠাকুরের পরমভক্ত হীরামন বালা। পিতার নাম- মহাজার বালা। অনেক অলৌকিক শক্তির অধিকারী ছিলেন এই হীরামন বালা।
০৬। গোলক পাগলঃ
ফরিদপুর জেলার সাহাপুর পরগনায় নারিকেল বাড়ি গ্রামে গোলক পাগলের জন্ম। পিতার নাম ঠাকুর দাস, গোলক পাগলের আশীর্বাদে কবি অশ্বিনীর জন্ম হয়েছিল। শ্রী হরির পরম ভক্ত ছিলেন গোলক পাগল।
০৫। হীরামন বালা (গোসাই)ঃ
রাউত খামার গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন হীরামন বালা (গোসাই)। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের মধ্যে রামরূপ দর্শণ করেছিলেন ঠাকুরের পরমভক্ত হীরামন বালা। পিতার নাম- মহাজার বালা। অনেক অলৌকিক শক্তির অধিকারী ছিলেন এই হীরামন বালা।
০৬। গোলক পাগলঃ
ফরিদপুর জেলার সাহাপুর পরগনায় নারিকেল বাড়ি গ্রামে গোলক পাগলের জন্ম। পিতার নাম ঠাকুর দাস, গোলক পাগলের আশীর্বাদে কবি অশ্বিনীর জন্ম হয়েছিল। শ্রী হরির পরম ভক্ত ছিলেন গোলক পাগল।
হরে শ্রী হরিচাঁদ হরি
হরে শ্রী হরিচাঁদ হরি
নমঃস্বেজ , অবর্ণ সনাতন ও মতুয়া
মতুয়া ধর্ম বৈদিক কি অবৈদিক এই বিতর্ক অবান্তর | মতুয়া একটি স্বতন্ত্র ধর্ম এটাই যথেষ্ট | তাদের উপর বিভিন্ন ধর্ম সঙ্স্কৃতির প্রভাব আছে| মতুয়া দের অবতার তত্ত্ব নেই | এটা শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর নিজেই অস্বীকার করে গেছেন | ঋক বেদ আদিতে বর্নাশ্রম মুক্ত| একথা মূর্খ রা অস্বীকার করে আর জাতিবাদী বর্ণবিদ্বেষী রা করে | একদল না বুঝে করেন , একদল তাদের নোঙরা স্বার্থ বোধ থেকে করেন| ওরা মানুষকে ঘেন্না করতে শেখায়| অবতার তত্ত্ব মানলে জাতপাত এর তত্ত্ব ও মানতে হয়| লীলামৃত যারা লিখেছেন তাদের ঠাকুরের প্রতি ভক্তিকে শ্রদ্ধা করেই বলছি , তারা বিভ্রান্ত হয়েছেন | তারা জেনে রাখুন সারা পৃথিবীর মানুষ ওই সব তত্ত্বকে বাতিল করেছেন | জাতিবাদী হিন্দুদের সারা পৃথিবীর মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের জঘন্য নরঘাতকদের সাথে এক বলে চিহ্নিত করেছেন | এমন কি মতুয়া -স্মৃতকথা যার এক অঙশ অন্য ধর্মের প্রভাব কে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করেছে তারা সচেতন ভাবে পূর্ণপরমেশ্বর শব্দটি ব্যাবহার করেছেন ( ইনটারনেট এ তাই দেখেছি) | মনে রাখতে হবে পূর্ণপরমেশ্বর শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর কোনোদিন ই ওই শব্দটি স্বীকার করেন নাই | তবে বেদ পড়া যাবে না এমন কথা প্রচার হওয়া ঠিক নয়| সে ক্ষেত্রে ওই একটি মুক্ত আছে | পুরুষসুক্ত পরে ঢোকানো হয়েছে এটা স্পষ্ট | আর বাকী অঙশ দোষ মুক্ত আছে| কিন্তু অন্যগুলি এমন ভাবে দূষিত করা হয়েছে যে তাকে শুদ্ধ করাই মুশকিল| সুতরাঙ বেদবিধি মানার কোনো প্রশ্ন ই আসছে না| আর ঋকবেদ এ কোনো বিধি ই নেই | রিগ্ড্ করে যা ঢোকানো হয়েছে তা পরে করা হয়েছে|
মতুয়া ধর্ম বৈদিক কি অবৈদিক এই বিতর্ক অবান্তর | মতুয়া একটি স্বতন্ত্র ধর্ম এটাই যথেষ্ট | তাদের উপর বিভিন্ন ধর্ম সঙ্স্কৃতির প্রভাব আছে| মতুয়া দের অবতার তত্ত্ব নেই | এটা শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর নিজেই অস্বীকার করে গেছেন | ঋক বেদ আদিতে বর্নাশ্রম মুক্ত| একথা মূর্খ রা অস্বীকার করে আর জাতিবাদী বর্ণবিদ্বেষী রা করে | একদল না বুঝে করেন , একদল তাদের নোঙরা স্বার্থ বোধ থেকে করেন| ওরা মানুষকে ঘেন্না করতে শেখায়| অবতার তত্ত্ব মানলে জাতপাত এর তত্ত্ব ও মানতে হয়| লীলামৃত যারা লিখেছেন তাদের ঠাকুরের প্রতি ভক্তিকে শ্রদ্ধা করেই বলছি , তারা বিভ্রান্ত হয়েছেন | তারা জেনে রাখুন সারা পৃথিবীর মানুষ ওই সব তত্ত্বকে বাতিল করেছেন | জাতিবাদী হিন্দুদের সারা পৃথিবীর মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের জঘন্য নরঘাতকদের সাথে এক বলে চিহ্নিত করেছেন | এমন কি মতুয়া -স্মৃতকথা যার এক অঙশ অন্য ধর্মের প্রভাব কে কৃতজ্ঞচিত্তে স্বীকার করেছে তারা সচেতন ভাবে পূর্ণপরমেশ্বর শব্দটি ব্যাবহার করেছেন ( ইনটারনেট এ তাই দেখেছি) | মনে রাখতে হবে পূর্ণপরমেশ্বর শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুর কোনোদিন ই ওই শব্দটি স্বীকার করেন নাই | তবে বেদ পড়া যাবে না এমন কথা প্রচার হওয়া ঠিক নয়| সে ক্ষেত্রে ওই একটি মুক্ত আছে | পুরুষসুক্ত পরে ঢোকানো হয়েছে এটা স্পষ্ট | আর বাকী অঙশ দোষ মুক্ত আছে| কিন্তু অন্যগুলি এমন ভাবে দূষিত করা হয়েছে যে তাকে শুদ্ধ করাই মুশকিল| সুতরাঙ বেদবিধি মানার কোনো প্রশ্ন ই আসছে না| আর ঋকবেদ এ কোনো বিধি ই নেই | রিগ্ড্ করে যা ঢোকানো হয়েছে তা পরে করা হয়েছে|
জাতিবাদের সাথে যে সমস্ত তত্ত্ব যুক্ত আছে তার যা কিছু হরিলীলামৃতে ভুলক্রমে ঢুকে গেছে , তা বাদ দিয়ে নূতন সঙ্সকরণ অতি দ্রুত প্রকাশ করা দরকার| অবর্ণ সনাতন ধর্ম ই মতুয়া | এইটেই আদি ও পরমেশ্বরের ধর্ম | কোনো অবস্থাতেই জাতিবাদী সমাজের কোনো লেবেল যেন আমরা না ব্যবহার করি | না " শূদ্র" লেবেল ও নয়|
শক্তিসঙ্গমতন্ত্র বলে যেটা বলা হয় তা প্রাচীন কোনো গ্রন্থ নয় | ওটা সঙস্কৃতে লেখা | আদৌ কোনো বই ওই নামে আছে বা ছিলো কি না কেউ জানে না | এটা রটানো হয়েছে যে ওখানে আছে | কিন্তু যারা রটিয়েছেন এবঙ এখন ও প্রচার করছেন ,তাদের বহু অনুরোধ করেও আজ ১০০ বছরেও তাদের কাছ থেকে সেই সঙ্স্কৃত শ্লোক এর কোনো উদ্ধৃতি পাওয়া যায় নাই| এটা মতুয়া ধর্ম কে বাতিল করে অবর্ণ নমঃস্বেজ দের শূদ্র করণের জন্য করা হয়েছিলো | ডঃ নীহার রঞ্জন রায় পরিষ্কার ভাবে তার বইতে এই সব গাজাখুরি গল্প বাতিল করেছেন| বল্লাল সেন এর গল্পটিও গাজাখুরি গল্প | এইসব গল্প শূদ্রকরণের জন্য তৈরি করা হয়েছে | যার জন্য ডঃ নীহার রঞ্জন রায় গবেষণামূলক তথ্যের ভিত্তিতে রেসিয়াল কোনো মিল থাকলে তা দেখবার চেষ্টা করেছেন | পরে জিনতত্ত্ব তা দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে |
সুতরাঙ আমরা মতুয়া হরি ঠাকুরের মতে| আমরা অবর্ণ হরে শ্রী হরিচাঁদ হরিসনাতনী , ঐতিহ্যগত ভাবে ছিলাম| আমাদের নাম পরিচয়ে কোনো বর্ণ বা জাত থাকার কোনো প্রশ্নই নাই | সারা পৃথিবীর মানব সভ্যতার সাথে আমরা এই একটি ব্যাপারে যেন কখোনো আমাদের ঠাকুরের উপদেশ না ভুলি | আর তাই আমাদের উপকথা অনুযায়ী , আমদের হরিচাঁদ ঠাকুর যা তার শিষ্যদের প্রচার করতে বলেওছিলেন , আমরা নমঃস্বেজ বা সঙক্ষেপে নম |
বিদ্যাদেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজার তাৎপর্য :
বিদ্যাদেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজার তাৎপর্য :
মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথি। শ্রীশ্রী সরস্বতী মায়ের পূজার দিন। সরস্বতী শব্দটির বুৎপত্তিগত অর্থে 'সরস্+বতু' স্ত্রী লিঙ্গে 'ঈ' প্রত্যয় যুক্ত যোগে 'সরস্বতী'। 'সতত রসে সমৃদ্ধা'। তিনি শুক্লবর্ণা, শুভ্র হংসবাহনা, 'বীণা-রঞ্জিত পুস্তক হস্তে' অর্থাৎ এক হাতে বীণা ও অন্য হাতে পুস্তক।
সেগুলোর গূঢ় রহস্য তথা যথার্থ তাৎপর্য হৃদয়ে ধারণ করে মাকে পূজার্চনা করা উচিত। নয়তো পূজার আড়ম্বরতা যতই হোক না কেন তা অর্থহীন। শিক্ষার্থীরা দেবী সরস্বতীর পূজা বেশি করে। কেন? কারণ তিনি জ্ঞানদায়িনী বিদ্যার দেবী সরস্বতী। বিদ্যা দান করেন তিনি। মানুষ জ্ঞান পিপাসু। সর্বদা জ্ঞানের সন্ধান করে। 'শ্রদ্ধাবান লভতে জ্ঞানং তৎপরঃ সংযতেন্দ্রিয়'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ শ্রদ্ধাবান ব্যক্তি জ্ঞান লাভ করে থাকেন।
শ্রদ্ধাবোধ জাগ্রত হয় কীভাবে? শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলার জন্য পারিবারিক শিক্ষা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বাল্যকাল থেকেই ধর্মীয় আচার-আচরণের শিক্ষা দেয়া প্রয়োজন। সনাতন ধর্মাবলম্বী ছোটদেরকে ধর্মীয় চেতনা দান করার জন্য শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজা অন্যতম একটি উৎসব।
পূজার আগের দিন সংযম পালন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের গভীর শিক্ষা দেয়। ছোটবেলায় শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজায় সংযমের দিন মাছ-মাংস পরিহার, নিরামিষ আহার, আতপ চালের ভাত খাওয়া, উপোস থাকা সম্ভব হবে কি-না এসব নিয়ে এবং পূজার দিন উপবাস থাকা, পুষ্পাঞ্জলি অর্পণে হয় আনন্দঘন এক আয়োজন! আর এ সময়ই একজন সনাতন ধর্মাবলম্বী তথা কোমলমতি শিক্ষার্থীও ধর্মীয় চেতনা পেয়ে থাকে। লক্ষণীয়, আমরা (বড়রা) প্রতিমায় ভক্তি নিবেদনের ক্ষেত্রে ওই প্রতিমার প্রণাম-মন্ত্রটুকুও জানি না! প্রণাম নিবেদনেও যে কত আধুনিকতা যুক্ত হয়েছে, তা ভাবলে অবাক হতে হয়!
শিক্ষার্থীসহ পূজিত সবাই যেন তার তাৎপর্য ও পূজার মূল আচরণে পূজিত হন সে কথা বিচার্য রেখে তার বর্ণনায় লক্ষ্য করা যাক:
দেবী শুক্লবর্ণা: শুক্লবর্ণ মানে সাদা রং। সত্ত্বগুণের প্রতীকও হলো সাদা। পবিত্র গীতার চতুর্দশ অধ্যায়ের ৬নং শ্লোকে আছে 'তত্র সত্ত্বং নির্মলত্বাৎ' অর্থাৎ সত্ত্ব, রজঃ ও তমোগুণের মধ্যে সত্ত্বগুণ অতি পবিত্র গুণ, স্বচ্ছতার প্রতীক, নির্মলতার প্রতীক। আবার ওই অধ্যায়েরই ১৭নং শ্লোকে আছে, 'সত্ত্বাৎ সংজায়তে জ্ঞানং' অর্থাৎ সত্ত্বগুণে জ্ঞান লাভ হয়। তাই জ্ঞানময়ী সর্বশুক্লা দেবী শ্রীশ্রী সরস্বতী জ্ঞানে গুণান্বিত বলে তার গায়ের রং শুক্লবর্ণা অর্থাৎ দোষহীনা ও পবিত্রতার মূর্তি। আর জ্ঞানদান করেন বলে তিনি জ্ঞানদায়িনী। 'নহি জ্ঞানেন সদৃশং পবিত্রমিহ বিদ্যতে'(শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা-৪/৩৯) অর্থাৎ 'জ্ঞানের মতো পবিত্র আর কিছু নেই'। আমরাও যেন সে গুণের অধিকারী হতে পারি এ আমাদের প্রার্থনা।
হংসঃ জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সরস্বতীর বাহন শ্বেতহংস। হাঁস অসারকে ফেলে সার গ্রহণ করে। দুধ ও জল মিশ্রণ করে দিলে হাঁস জল ফেলে শুধু দুধটুকু গ্রহণ করে নেয়। কিংবা কাঁদায় মিশ্রিত স্থান থেকেও তার খাদ্য খুঁজে নিতে পারে। মায়ের সঙ্গে পূজিত হয়ে শিক্ষা দিচ্ছে- সবাই যেন সবার অসার বা ভেজাল/অকল্যাণকর পরিহার করে সার বা ভালো কিছু অর্থাৎ নিত্য পরমাত্মাকে গ্রহণ করেন এবং পারমার্থিক জ্ঞান অর্জন করে সুন্দর পথে চলতে পারি।
বীণাঃ 'জীবন ছন্দময়'। বীণার ঝংকারে উঠে আসে ধ্বনি বা নাদ। বিদ্যাদেবী সরস্বতীর ভক্তরা সাধনার দ্বারা সিদ্ধি লাভ করলে বীণার ধ্বনি শুনতে পান। বীণার সুর মধুর। পূজার্থী বা বিদ্যার্থীর মুখ নিঃসৃত বাক্যও যেন মধুর হয় এবং জীবনও মধুর সংগীতময় হয় এ কারণেই মায়ের হাতে বীণা। হাতে বীণা ধারণ করেছেন বলেই তার অপর নাম বীণাপাণি।
পুস্তকঃ বিদ্যার্থীর লক্ষ্য জ্ঞান অন্বেষণ। আর সে জ্ঞান ও বিদ্যা অন্বেষণের জন্য জ্ঞানের ভাণ্ডার 'বেদ' তার হাতে রয়েছে। 'বেদই বিদ্যা'। তিনি আমাদের আশীর্বাদ করছেন- 'জীবনকে শুভ্র ও পবিত্র রাখ। সত্যকে আঁকড়ে রাখ। মূল গ্রন্থের বাণী পালন কর। জীবন ছন্দময় কর। স্বচ্ছন্দে থাক।'
উল্লেখ্য, প্রতিটি দেব-দেবীর প্রণাম-মন্ত্র ও পুষ্পাঞ্জলি প্রদান মন্ত্র আমাদের সবার জানা উচিত। আর তাই নিম্নোক্ত মন্ত্রগুলি বিদ্যার্থীদের অবশ্যই জানা উচিত।
সরস্বতী দেবীর প্রণাম ও পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্রঃ
পুষ্পাঞ্জলী মন্ত্রঃ (৩ বার পাঠসহ)
ওঁ জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।
নমঃভদ্রকাল্যৈ নমো নিত্যং সরস্বত্যৈ নমো নমঃ।
বেদ-বেদাঙ্গ-বেদান্ত-বিদ্যা-স্থানেভ্য এব চ।।
এস স-চন্দন পুষ্পবিল্ব পত্রাঞ্জলি সরস্বতৈ নমঃ।।
প্রনাম মন্ত্রঃ
নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।
জয় জয় দেবী চরাচর সারে, কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।
সরস্বতীর স্তবঃ
শ্বেতপদ্মাসনা দেবী শ্বেত পুষ্পোপশোভিতা।
শ্বেতাম্ভরধরা নিত্যা শ্বেতাগন্ধানুলেপনা।।
শ্বেতাক্ষসূত্রহস্তা চ শ্বেতচন্দনচর্চ্চিতা।
শ্বেতবীণাধরা শুভ্রা শ্বেতালঙ্কারবভূষিতা
বন্দিতা সিদ্ধগন্ধর্ব্বৈর্চ্চিতা দেবদানবৈঃ।
পূঝিতা মুনিভি: সর্ব্বৈঋষিভিঃ স্তূয়তে সদা।।
স্তোত্রেণানেন তাং দেবীং জগদ্ধাত্রীং সরস্বতীম্।
যে স্মরতি ত্রিসন্ধ্যায়ং সর্ব্বাং বিদ্যাং লভন্তি তে।।
জ্ঞানদায়িনী সরস্বতী মায়ের পূজাতে ফাঁকি না দিয়ে আমরা সবাই সঠিকভাবে তার পূজা করি। তার পূজার শিক্ষায় আমরা সর্বদা সবাই শুদ্ধ জ্ঞানচর্চায় যেন রত থাকি এবং প্রার্থনা করি-
ওঁ অসতো মা সদ্গময়
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মৃত্যুর্মা অমৃতংগময়
আবিরাবির্ম এধি।
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মৃত্যুর্মা অমৃতংগময়
আবিরাবির্ম এধি।
অর্থাৎ- হে ঈশ্বর, আমাকে অসৎ থেকে সৎ লোকে, অন্ধকার থেকে আলোতে এবং মৃত্যু থেকে অমৃতে নিয়ে যাও।
Subscribe to:
Posts (Atom)

